সারাদেশে ১১৪ শিশুর মৃত্যু, উচ্চ ঝুকির ৩০ টি উপজেলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে গনটিকা কর্মসূচি

সারদেশে বাড়ছে হামের সংক্রমন ও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এ পর্যন্ত বিভিন্ন সূত্র জানা গেছে-দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৬,৪৭৬ জন এবং এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১১৪ জন শিশুর। ১৬ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আর বাকি ৯৮ জন হামের উপসর্গ ও আনুসঙ্গিক জটিলতা নিয়ে মারা গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ৪০ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে

PostImage

সারাদেশে ১১৪ শিশুর মৃত্যু, উচ্চ ঝুকির ৩০ টি উপজেলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে গনটিকা কর্মসূচি


সারদেশে বাড়ছে হামের সংক্রমন ও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এ পর্যন্ত বিভিন্ন সূত্র জানা গেছে-দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৬,৪৭৬ জন এবং এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১১৪ জন শিশুর। ১৬ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আর বাকি ৯৮ জন হামের উপসর্গ ও আনুসঙ্গিক জটিলতা নিয়ে মারা গেছে। বিশেষ করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ৪০ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৮ জেলার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলায় আজ থেকে জরুরি হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচি ২১ মে পর্যন্ত চলবে। এছাড়া আগামী ৩ মে থেকে সারাদেশে গণ-টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের এই বিশেষ টিকা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে নিয়মিত ডোজ হিসেবে টিকা নেওয়া থাকলেও এই বিশেষ ডোজটি নেওয়া যাবে।

টিকা দেওয়ার হার কমে যাওয়াই  প্রাদুর্ভাবের প্রধান কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হাম ঠেকাতে জনসংখ্যার ৯৫% টিকা কভারেজ প্রয়োজন, কিন্তু বাংলাদেশে ২০২৫ সালে টিকাদানের হার হঠাৎ অনেক নিচে (প্রায় ৬০% এর নিচে) নেমে আসে। ফলে শিশুদের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বড় একটি ঘাটতি বা 'ইমিউনিটি গ্যাপ' তৈরি হয়েছে।

তাছাড়াও ২০২০ সালের পর থেকে হাম রুবেলার বড় কোন ক্যাম্পেই হয় নি। ২০২৪ সালে সরকার উদ্দ্যোগ নিলেও রাজনৈতিক অস্থিরতায় তা হয়ে উঠে নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বহুমুখী সংকটের কারণে হাম এখন ৫৬টির বেশি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার এখন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর