জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি অফিস এখন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে সকল শপিং মল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি, সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ দোকানপাট
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি অফিস এখন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে সকল শপিং মল ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি একাধিক সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম অস্থির হয়ে ওঠায় দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে তেল ও গ্যাস আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নতুন সময়সূচির ফলে দিনের আলোতেই অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, ফলে বিদ্যুতের ওপর চাপ কমবে। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর বাণিজ্যিক কার্যক্রম সীমিত রাখার মাধ্যমে বিদ্যুৎ খরচ কমানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা অবশ্য এই সিদ্ধান্তে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, সন্ধ্যার পর ক্রেতার সংখ্যা বেশি থাকে, ফলে নির্ধারিত সময়ের আগেই দোকান বন্ধ করতে হলে বিক্রিতে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বলছে, জাতীয় স্বার্থে সাময়িক এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয়।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই উদ্যোগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তারা একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যেন অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার এড়িয়ে চলা হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সময়সূচিতে পুনরায় পরিবর্তন আনা হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।