মহা সমারোহে শুরু হল বিজু উৎসব- আনন্দ, ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলা
ঢাকা থেকে পার্বত্য অঞ্চলে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান উৎসব বিজু। রোববার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও পার্বত্য এলাকাগুলোতে রঙিন পোশাক, ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পাহাড়ি সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সী মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন
মহা সমারোহে শুরু হল বিজু উৎসব- আনন্দ, ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলা
ঢাকা থেকে পার্বত্য অঞ্চলে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান উৎসব বিজু। রোববার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও পার্বত্য এলাকাগুলোতে রঙিন পোশাক, ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পাহাড়ি সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সী মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
বিজু মূলত চাকমা সম্প্রদায়ের নববর্ষ উৎসব, যা তিন দিনব্যাপী নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয়। ঢাকার এই শোভাযাত্রায় ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত অংশগ্রহণকারীরা গান, নৃত্য এবং বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠেন। রঙিন ফুল, পাখা, এবং গ্রামীণ জীবনের নানা প্রতীক দিয়ে সাজানো হয় শোভাযাত্রার বিভিন্ন অংশ।
আয়োজকরা জানান, এই শোভাযাত্রার মূল লক্ষ্য হলো পার্বত্য অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে দেশের অন্যান্য মানুষের কাছে তুলে ধরা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। রাজধানীবাসীর মাঝেও উৎসবটি ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে। অনেকেই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপভোগ করেন এবং ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকায় কড়া নজরদারি রাখেন। ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। শোভাযাত্রা শেষে অংশগ্রহণকারীরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান এবং বিজুর আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
উৎসবে অংশ নেওয়া একাধিক ব্যক্তি জানান, ঢাকায় এমন আয়োজন তাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে আরও পরিচিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে এটি দেশের বহুসাংস্কৃতিক ঐক্যের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।
সব মিলিয়ে, ঢাকার এই বিজু শোভাযাত্রা ছিল আনন্দ, ঐতিহ্য এবং সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলা, যা উপস্থিত সবার মনে দীর্ঘদিনের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।