পাকিস্তানের রুটে ইরানে চীনা অস্ত্র পাঠানোর দাবি, অস্বীকার বেইজিং ও ইসলামাবাদের- রয়টার্স
ইরানের কাছে চীনের তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (MANPADS) সরবরাহের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূখণ্ডকে ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দাবি করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে এ তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। একই সঙ্গে চীন ও পাকিস্তান উভয় দেশই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে
পাকিস্তানের রুটে ইরানে চীনা অস্ত্র পাঠানোর দাবি, অস্বীকার বেইজিং ও ইসলামাবাদের- রয়টার্স
ইরানের কাছে চীনের তৈরি কাঁধে বহনযোগ্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (MANPADS) সরবরাহের ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূখণ্ডকে ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দাবি করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তবে এ তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। একই সঙ্গে চীন ও পাকিস্তান উভয় দেশই এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত ২৯ জুলাই প্রকাশিত রয়টার্সের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চুক্তি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরান চীনের তৈরি ৩০০ থেকে ৪০০টি MANPADS কেনার চুক্তি করেছে। সম্ভাব্য সরবরাহের তালিকায় QW-12 ও FN-16 মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, এসব অস্ত্রের সম্ভাব্য চালান চীনের উরুমকি থেকে পাকিস্তান হয়ে ইরানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে এ দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করেনি। বরং প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে তথ্যগুলো একাধিক অবগত সূত্রের বরাত থেকে পাওয়া এবং এর স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্র পরিবহনের রুট ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছিল এবং প্রয়োজনে বিকল্প স্থলপথও ব্যবহার করা হতে পারে। তবে চালান সম্পন্ন হয়েছে কি না বা পাকিস্তানের ভূখণ্ড বাস্তবে ব্যবহৃত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেয়নি রয়টার্স।
এদিকে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর (ISPR) এ অভিযোগকে "সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া" বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একইভাবে প্রতিবেদনটি নাকচ করে জানিয়েছে, বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষেই অবস্থান করছে এবং ইরানে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এ পর্যন্ত প্রকাশ্যে এমন কোনো স্যাটেলাইট চিত্র, ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য, কাস্টমস নথি বা অন্য কোনো স্বাধীন প্রমাণ সামনে আসেনি, যা নিশ্চিতভাবে দেখায় যে পাকিস্তানের রুট ব্যবহার করে চীনা অস্ত্র ইরানে পৌঁছেছে। ফলে বিষয়টি এখনো একাধিক সূত্রের দাবির পর্যায়েই রয়েছে এবং স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।