মহা সমারোহে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ ২০২৬: সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ২০২৬ সালের পহেলা বৈশাখ দেশজুড়ে মহা সমারোহে পালনের জন্য সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি ও নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হবে, যা জেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে
মহা সমারোহে পালিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ ২০২৬: সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ২০২৬ সালের পহেলা বৈশাখ দেশজুড়ে মহা সমারোহে পালনের জন্য সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি ও নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হবে, যা জেলা, উপজেলা থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের অংশ হিসেবে রমনা বটমূল-এ সকালবেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে বৈশাখী শোভাযাত্রা আয়োজন করা হবে, যেখানে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিফলন হিসেবে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল অনুষ্ঠানের সূচনা জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে হবে এবং জনপ্রিয় গান “এসো হে বৈশাখ” পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আবহ ছড়িয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে বাংলা একাডেমি-তে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা ও আলোচনা সভা এবং বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন-এ দুই সপ্তাহব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। গণমাধ্যমেও থাকবে বিশেষ আয়োজন—টেলিভিশন, বেতার ও পত্রিকায় প্রচারিত হবে বৈশাখের বিশেষ অনুষ্ঠান ও ক্রোড়পত্র।
এছাড়া জনসাধারণের জন্য জাদুঘর ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান উন্মুক্ত রাখা, শিশু ও শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ এবং হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু পরিবারে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠান শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য নতুন “ফার্মার কার্ড” চালুর ঘোষণাও এই দিন থেকেই কার্যকর হবে। সব মিলিয়ে, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে এবারের পহেলা বৈশাখ উদযাপন হতে যাচ্ছে আরও বর্ণাঢ্য ও নিরাপদ।