হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক অধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক’ দাবিকে দায়ী করল ইরান
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রায় ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আলোচনা ত্যাগ করে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স
হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক অধিকার ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অযৌক্তিক’ দাবিকে দায়ী করল ইরান
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। প্রায় ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আলোচনা ত্যাগ করে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
আলোচনার মূল ইস্যু ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন বন্ধের নিশ্চয়তা চাইলেও তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করে।
অন্যদিকে, ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ‘অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত’ দাবি উপস্থাপন করেছে, যা আলোচনায় অগ্রগতির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ইরানের মতে, তারা নিজস্ব পারমাণবিক অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ থেকে সরে আসতে প্রস্তুত নয়।
হরমুজ প্রণালী নিয়েও তীব্র মতবিরোধ দেখা যায়। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়, যা বর্তমানে সংঘাতের কারণে আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যর্থ আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা বাড়াতে পারে। যুদ্ধবিরতির যে নাজুক অবস্থা তৈরি হয়েছিল, সেটিও এখন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কূটনৈতিকভাবে এই আলোচনা ছিল ১৯৭৯ সালের পর দুই দেশের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সরাসরি সংলাপ, তবে শেষ পর্যন্ত তা কোনো ফলাফল ছাড়াই শেষ হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।