লেবানন ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দল

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে একত্রিত হয়েছেন। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাত বন্ধ করার লক্ষ্যে এই আলোচনা শুরু হয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলেছে। বহু বছর পর দুই দেশের মধ্যে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও লেবানন ইস্যু ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মতবিরোধ পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে

PostImage

লেবানন ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পাকিস্তানে শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দল


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে একত্রিত হয়েছেন। ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাত বন্ধ করার লক্ষ্যে এই আলোচনা শুরু হয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলেছে। বহু বছর পর দুই দেশের মধ্যে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ায় কিছুটা আশার সঞ্চার হলেও লেবানন ইস্যু ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মতবিরোধ পরিস্থিতিকে অনিশ্চিত করে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা। অপরদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কিছু শর্ত পূরণ না হলে মূল আলোচনা শুরু হবে না।

ইরান লেবাননে চলমান সংঘর্ষে যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র লেবানন ইস্যুকে আলোচনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করতে অনিচ্ছুক, যা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত করছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও অঞ্চলজুড়ে সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি।

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান ইসলামাবাদে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষ সংঘাত এড়াতে আগ্রহী হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস ও কঠোর অবস্থান আলোচনাকে জটিল করে তুলতে পারে।

এই আলোচনার ফলাফল বৈশ্বিক রাজনীতি, জ্বালানি বাজার এবং আঞ্চলিক শান্তির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। এখন পুরো বিশ্বের নজর এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার দিকে। 

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর