সরকারি অর্থে বিদেশি সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ

বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রচার ঠেকাতে সরকারি অর্থে জনসংযোগ (পিআর) প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেছে—এমন অভিযোগ তুলেছে আওয়ামী লীগ। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলটির দাবি অনুযায়ী বিদেশি সাংবাদিকদের কাছে ‘সংবাদ সম্মেলন স্থগিত হয়েছে’—এমন ভুয়া তথ্য পাঠানো হচ্ছে, যাতে ৫ আগস্টের অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে গুরুত্ব না পায়।

PostImage

সরকারি অর্থে বিদেশি সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ


বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৫ আগস্ট নির্ধারিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছে যে, শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কভারেজ না পায়, সে উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার সরকারি অর্থে জনসংযোগ (পিআর) প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে এই বার্তা পাঠানো হচ্ছে যে শেখ হাসিনার নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে না এবং তিনি এতে অংশ নেবেন না।

দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়া এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই তা প্রচার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, এ কাজে সরকারি অর্থ ব্যয় করে পিআর প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী আবু ওবাইদা আরিন আল জাজিরাকে বলেন, নির্ধারিত অনুষ্ঠান যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের বাইরে ভিন্নমত বা রাজনৈতিক বক্তব্যকে দমন করার চেষ্টা সফল হবে না এবং নির্ধারিত সময়েই শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেবেন।

এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনার বক্তব্য, বিবৃতি, সাক্ষাৎকার বা ভিডিও বার্তা দেশের কোনো গণমাধ্যমে প্রচার না করার নির্দেশনা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো প্রচার দেশের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করবে।

অন্যদিকে একই দিনে ভারত সরকারও জানিয়ে দেয়, শেখ হাসিনার নির্ধারিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, অনুষ্ঠানটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান আয়োজন করছে এবং ভারত সরকার এতে কোনো ভূমিকা রাখছে না।


সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর