ইরানের নৌবাহিনী ‘ধ্বংস’ দাবি Donald Trump-এর, ন্যাটো জোটের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ন্যাটো জোটের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে ইরানের নৌবাহিনী “প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে”, এমন সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিস্তৃত নৌ অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে
ইরানের নৌবাহিনী ‘ধ্বংস’ দাবি Donald Trump-এর, ন্যাটো জোটের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ন্যাটো জোটের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে ইরানের নৌবাহিনী “প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে”, এমন সময়ে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিস্তৃত নৌ অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। Fox News-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প সাম্প্রতিক মার্কিন সামরিক অভিযানকে ইরানের সামরিক শক্তির ওপর “গুরুতর আঘাত” হিসেবে বর্ণনা করেছেন, বিশেষ করে তাদের নৌ সক্ষমতা ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও NATO মিত্রদের মধ্যে উত্তেজনা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান ইস্যুতে ন্যাটো সদস্যরা যথেষ্ট সমর্থন দিচ্ছে না, যা পশ্চিমা জোটের মধ্যে বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করছে। অনেক ন্যাটো দেশ সরাসরি সামরিক পদক্ষেপ—বিশেষ করে প্রস্তাবিত অবরোধে অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে এবং কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।
এই অবরোধ পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে Strait of Hormuz—বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মার্কিন নৌবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইরান-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে বাধা দেওয়া এবং তেহরানের তেল রপ্তানিতে চাপ সৃষ্টি করা।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই অবরোধ “খুব কার্যকর” হবে এবং ইরান ইতোমধ্যে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, যদিও ইরানের নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে, তবুও তারা আঞ্চলিক নৌ চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে এবং পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম থাকতে পারে।
অন্যদিকে, Iran এই পরিকল্পিত অবরোধকে আগ্রাসন হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, তাদের জলসীমায় এমন পদক্ষেপ নিলে “কঠোর প্রতিক্রিয়া” জানানো হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে, বৈশ্বিক তেলের সরবরাহ ব্যাহত করতে পারে এবং ইতোমধ্যে নাজুক কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে।
সব মিলিয়ে, ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যে একদিকে যেমন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের ইঙ্গিত রয়েছে, অন্যদিকে মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানকে সমর্থন আদায়ের কৌশলও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।