৫৩ বছর পর আবারও চাঁদের পথে মানুষ: নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু
দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবারও মানুষকে চাঁদের পথে পাঠানোর ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে NASA। সংস্থাটির বহুল প্রতীক্ষিত Artemis II মিশনের মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা হলো মহাকাশ অভিযানে। সর্বশেষ ১৯৭২ সালে Apollo 17 মিশনের মাধ্যমে মানুষ চাঁদে গিয়েছিল
৫৩ বছর পর আবারও চাঁদের পথে মানুষ: নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু
দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবারও মানুষকে চাঁদের পথে পাঠানোর ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে NASA। সংস্থাটির বহুল প্রতীক্ষিত Artemis II মিশনের মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা হলো মহাকাশ অভিযানে। সর্বশেষ ১৯৭২ সালে Apollo 17 মিশনের মাধ্যমে মানুষ চাঁদে গিয়েছিল।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, আর্টেমিস-২ হলো একটি ক্রু-সহ (crewed) মিশন, যেখানে চারজন মহাকাশচারী অংশ নিচ্ছেন। এই মিশনে ব্যবহৃত হচ্ছে অত্যাধুনিক Orion spacecraft, যা Space Launch System (SLS) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাকাশচারীরা চাঁদের চারপাশে ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন, যা ভবিষ্যৎ চন্দ্র অবতরণের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
এই মিশনের প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে গভীর মহাকাশে মানুষের সক্ষমতা যাচাই, নতুন প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং ভবিষ্যৎ চন্দ্রাভিযানের জন্য নিরাপদ পথ তৈরি। নাসা জানিয়েছে, আর্টেমিস কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে আবারও মানুষকে চাঁদের মাটিতে নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মিশন সফল হলে এটি শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং বৈশ্বিক মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন অধ্যায় খুলে দেবে। একইসঙ্গে চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতি ও ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে অভিযান পরিচালনার পথও সুগম হবে।
উল্লেখ্য, আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো নারী ও ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মহাকাশচারীদের চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে এই মিশন শুধু প্রযুক্তিগত নয়, বরং মানবতার ইতিহাসেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।