ইরান যুদ্ধের শেষ পর্যায়, যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত অবস্থান ও ন্যাটো নিয়ে বিতর্কে বাড়ছে বৈশ্বিক উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। Donald Trump ইরান যুদ্ধ নিয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি NATO-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ইরান যুদ্ধের শেষ পর্যায়, যুক্তরাষ্ট্রের শক্ত অবস্থান ও ন্যাটো নিয়ে বিতর্কে বাড়ছে বৈশ্বিক উত্তেজনা
যুদ্ধের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক আত্মবিশ্বাস
United States Department of State-এর প্রকাশিত বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, রেকর্ড বিনিয়োগ, ইতিহাসের সর্বোচ্চ শেয়ারবাজার এবং শূন্য মুদ্রাস্ফীতি যুক্তরাষ্ট্রকে একটি শক্ত ভিত দিয়েছে। তার মতে, এই অবস্থান দেশটিকে দীর্ঘদিনের হুমকি মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বক্তব্য দেশের অভ্যন্তরে আস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্ত বার্তা দেওয়ার কৌশল।
ইরান যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়
জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এখন “শেষের দিকে” এবং আরও দুই থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সময়ের মধ্যে সামরিক অভিযান আরও তীব্র হতে পারে। ইরানকে “প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেওয়ার” মতো কঠোর মন্তব্য তার অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সময়টি যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হতে পারে।
ন্যাটো নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক
ট্রাম্প NATO-এর সমালোচনা করে বলেন, এই জোটের সামরিক সহায়তা যথেষ্ট নয়।
তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে ন্যাটো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
Passover-এর প্রথম রাতে ইসরায়েল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে।
অন্যদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এতে বোঝা যাচ্ছে, সংঘাত এখন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
অর্থনৈতিক শক্তি, সামরিক প্রস্তুতি এবং কূটনৈতিক উত্তেজনা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আগামী কয়েক সপ্তাহ এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।